শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২০, ০৫:৪১ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা জাতীয় শোক দিবস ও ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ঘাটাইলে মাস্ক না পড়ায় ১১ জনকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত তাড়াশের দেশীগ্রাম গুরপীপুল ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত তাড়াশ সদর ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে শোক আর শ্রদ্ধায় বগুড়ায় জাতীয় শোক দিবস পালন বগুড়ার শেরপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস উদযাপন বেলকুচিতে করোনা আতংকের মাঝে আবারও বাল্যবিবাহ দেয়ার চেষ্টা, বন্ধ করলেন ইউএনও শাজাহানপুর মডেল প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত, শাহ্ আলম সভাপতি: জাকারিয়া সম্পাদক নন্দীগ্রামে রাকিব হোসেন নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার
রাজশাহী কোর্ট কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগের মহাসমুদ্র

রাজশাহী কোর্ট কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগের মহাসমুদ্র

রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহী কোর্ট কলেজের অধ্যক্ষ এ, কে, এম কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে অসাদাচরন, অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা, নারী প্রীতি ও আর্থিক দূর্নীতি-সহ দুই ডজন অভিযোগ । এ বিষয়ে গত ২২ ডিসেম্বর’১৯ রবিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শক ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর থেকে তদন্ত হয়েছে। রোববার এ তদন্ত করেন সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের সহকারি শিক্ষা পরিদর্শক প্রলয় দাস। জানা গেছে, চলতি বছরের অক্টোবরের দিকে বিভিন্ন দপ্তরে অধ্যক্ষ এ, কে, এম কামরুজ্জামানের অসাদাচরন-সহ নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেন এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির বিদ্যাৎসাহী সদস্য ও সাবেক অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা। এছাড়াও তিনি ১৬ সেপ্টেম্বরে জেলা প্রশাসক বরাবরেও এমন লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগ পত্রের ১ নং অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, কলেজের অধ্যক্ষ গভর্নিং কমিটির অনুমোদিত কমিটিকে উপেক্ষা করে আর্থিক দূর্নীতির উদ্দেশ্যে নিজে এবং তার মনোনীত কয়েক জন শিক্ষক দিয়ে নামমাত্র উন্নয়ন মুলক কাজ করছেন। অধ্যক্ষ ব্যস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক হাসানুজ্জামান ও ইসলামের ইতিহাসের প্রভাষক মসিউর রহমান’কে দিয়ে জানুয়ারী’১৯ থেকে নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে বিভিন্ন কাজ করেছেন যা গভর্ণিং বডিকে অবজ্ঞা করার সামিল। তিনি গভর্নিং বডির সিদ্ধান্ত ছাড়াই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান শ্রেণির যে বিষয়সমূহ এখনও অধিভুক্ত হয়নি এ রকম শুধুমাত্র ৪ শিক্ষককে (ব্যবস্থাপনা বিভাগের হাসানুজ্জামান, প্রাণীবিদ্যা বিভাগের আব্দুল্লাহ আল মামুন, মনোবিজ্ঞান বিভাগের শতরুপ, জীববিজ্ঞান বিভাগের লায়লা আল ফারিয়া) কলেজ ফান্ড থেকে মাসিক বেতন ভাতা প্রদান করেছেন, যারা তাঁর সকল অপকর্মে সহায়তা করেন, যদিও এই কলেজে এ রকম শিক্ষকের সংখ্যা ২৩। বিষয়টি নিয়ে বাকি ১৯ শিক্ষকের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। এ ব্যাপারে শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারি শিক্ষা পরিদর্শক প্রলয় দাস বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত হয়েছে। যে তথ্য পেয়েছি তার চুলচেরা বিশ্লেষণ করে পরবর্তীতে তদন্ত ফলাফল প্রতিষ্ঠানে পাঠিয়ে দেয়া হবে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত অধ্যক্ষ এ, কে, এম কামরুজ্জামান বলেন ‘আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ হয়েছিল। অভিযোগ হলে তদন্ত হবে-এটাই স্বাভাবিক। তদন্তে এসেছেন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা। আমার পক্ষ থেকে সমস্ত তথ্য কর্মকর্তাকে দেয়া হয়েছে। যেগুলো তথ্যে ঘাটতি আছে সেগুলো পূরণ করতে তিনমাস সময় চেয়েছি কিন্তু সময়টি যুক্তিসংগত না হওয়ায় কর্মকর্তা বলেছেন চিঠির মাধ্যমে জানিয়ে দিবেন। অন্যান্য অভিযোগ গুলোর মধ্যে রয়েছে ছাত্রদের কাছ থেকে অতিরিক্ত সেশন ফি আদায়, নিয়োগে অসচ্ছতা ও স্বজনপ্রীতি , লাইব্রেরী কার্ড দিয়ে টাকা আদায়, কলেজের নামে অতিরিক্ত আদায় রশিদ তৈরী, নারী শিক্ষকের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক , কোচিং ফি দিতে অপারগতায় টিসি দিয়ে গরীব ছাত্রদের বিদায়, বিদ্যুৎ বিল ও ইন্টারনেট বিল বাদক প্রতি বছর ছাত্রদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ৬ লক্ষ টাকা আদায়সহ আরও বিস্তারিত জানতে পরবর্তী প্রতিটি পর্বে চোখ রাখুন অনলাইন পত্রিকা রেডিও বগুড়ায়।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2014 radiobogra.net

Design & Developed By: Fendonus Limited