শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২০, ০৪:২৪ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা জাতীয় শোক দিবস ও ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ঘাটাইলে মাস্ক না পড়ায় ১১ জনকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত তাড়াশের দেশীগ্রাম গুরপীপুল ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত তাড়াশ সদর ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে শোক আর শ্রদ্ধায় বগুড়ায় জাতীয় শোক দিবস পালন বগুড়ার শেরপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস উদযাপন বেলকুচিতে করোনা আতংকের মাঝে আবারও বাল্যবিবাহ দেয়ার চেষ্টা, বন্ধ করলেন ইউএনও শাজাহানপুর মডেল প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত, শাহ্ আলম সভাপতি: জাকারিয়া সম্পাদক নন্দীগ্রামে রাকিব হোসেন নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার

কালবৈশাখী কেন হয়?

তথ্য প্রযুক্তি ডেস্ক : বৈশাখ মাসে যে ঝড় তার তাণ্ডবলীলা চালায় তাকে কালবৈশাখী ঝড় বলা হয়। প্রতিবছরের বৈশাখ মাসে প্রকৃতি রাজত্ব করে এ কালবৈশাখী। তবে এ বছর যেন তার দাপট খানিকটা বেশিই বলা চলে। স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন জাগে কেন হয় এ কালবৈশাখী? হঠাৎ করে প্রকৃতিতেই বা এত পরিবর্তন কেন?

কালবৈশাখীর জীবনচক্রকে তিনটি ধাপ বা পর্যায়ে বিভক্ত করা যায় যেগুলি ঊর্ধগামী অথবা নিম্নগামী বায়ুস্রোতের মাত্রা এবং গতিবিধি দ্বারা নির্ণীত হয়ে থাকে। কালবৈশাখীর পর্যায়গুলি হচ্ছে: ১) কিউমুলাস বা ঘনীপূঞ্জীভবন পর্যায়, ২) পূর্ণতা পর্যায় এবং ৩) বিচ্ছুরণ পর্যায়।

কালবৈশাখীর কারন হিসেবে আবহাওয়াবিদ আরিফ হোসেন জানিয়েছেন, সাধারণত এপ্রিল-মে মাসে সাগরে যে নিন্মচাপ তৈরি হয় তাতে কালবৈশাখী হয় না। নিম্নচাপ না থাকলে সাগরের আর্দ্র বাতাস স্থলভাগে চলে আসে। সাধারণত তিন ধরনের বাতাস একীভূত হয়ে কালবৈশাখীর সৃষ্টি হয়। সাগরের আর্দ্র বাতাসের সঙ্গে অপেক্ষাকৃত পূবালী বাতাস এবং স্থলভাগের বাতাস একসঙ্গে হলে তা বজ্রমেঘের সৃষ্টি করে। পরে তা চাপ আকারে নিচে নেমে আসে এবং প্রচণ্ড ঝড়ের সৃষ্টি হয়।

কালবৈশাখীকে বায়ুপুঞ্জ বজ্রঝড় অথবা পরিচলনগত বজ্রঝড় নামেও আখ্যায়িত করা যায়। বাংলাদেশে কালবৈশাখী সৃষ্টির প্রধান কারণ হচ্ছে দেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে আসা উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু যা উর্ধ্বে ২ কিলোমিটার পর্যন্ত আরোহন করে থাকে এবং এ উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু উত্তর-পশ্চিম এবং পশ্চিম দিক থেকে আসা অপেক্ষাকৃত শীতল ও শুষ্ক বায়ুর সঙ্গে মিলিত বা মুখোমুখি হয়। উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু ছোটনাগপুর মালভূমিতে সৃষ্টি হয়ে পূর্বদিকে ধাবিত হয়ে বাংলাদেশের সীমায় উপস্থিত হয়। বিপরীতধর্মী ও অসম এ দু বায়ুপ্রবাহের মুখোমুখি হওয়ার ফলে প্রাক-কালবৈশাখীর সৃষ্টি হয়।

গত কয়েকদিন প্রকৃতির বিরূপ চেহারা অনেককেই ভাবিয়ে তুলছে। এতে প্রাণহানিও হচ্ছে বেশ। আগামী কয়েকদিনও কালবৈশাখী হানা দেবে দেশব্যাপী। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন এমন তথ্য।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2014 radiobogra.net

Design & Developed By: Fendonus Limited